লিখেছেন— Musa Al Hafiz

ডক্টর স্প্রেঙ্গার ছিলেন কলকাতা
আলীয়া মাদরাসার পয়লা অধ্যক্ষ ।
নিজের লেখা সীরাত বিষয়ক দুই
বালামের বিতর্কিত বইকে মাদরাসা
সিলেবাসে জায়গা দিতে পারেননি
চেষ্টা করে ও । কারণ ছাত্রদের
মনস্তত্বে এর প্রভাব ইতিবাচক
হতো না।
এ হচ্ছে ১৮৭০ সালের কথা।
এখন ২০১৫ সাল । সবকিছু এগুনোর
কথা। কিন্তু কী দেখছি আলীয়ার
সিলেবাসে !!
আমার হাতে দাখিলের বাংলা
সাহিত্য, ১০ নম্বর পৃষ্ঠায় পড়ছি –
‘যুবা দশ-বারোটা,যুবতি প্রায়
চল্লিশ… যুবাদের মাদল
বাজিল,যুবতীদেহ শিহরিয়া
উঠিল…তারা তালে তালে
নাচিতেছে… নাচিতে নাচিতে সকলে
‘চিতিয়া’ পড়িতেছে। আকাশে চন্দ্র
তাহা দেখিয়া হাসিতেছে, আর
অন্ধকারে বসিয়া আমি হাসিতেছি।”
এ সব শেখানোর জন্য কি মাদরাসা?
দেশে এতো এতো সিনেমা হল
থাকতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব
শেখাতে হবে কেন?
গোটা বইয়ের বিভিন্ন বার্তা
শিক্ষার্থীদের মনস্তত্বে ভয়ানক
প্রভাব ফেলবে।
শুধু নারীবিষয়ক পাঠগুলো গুনে নিন –
পালামৌ,ফুলের বিবাহ,সুভা,অভাগীর
স্বর্গ,নিমগাছ,মমতাদি,রহমানের মা
….
মনে হয় বইটি মহিলা সমিতির
মুখপত্র।
গরিয়ান ঐতিহ্যের আলীয়া
মাদরাসাকে বন্ধ করা হয়নি, কিন্তু
মেরে ফেলা হয়েছে।
আশ্চর্য! তার মৃত্যুচিৎকার শুনাই গেলো না!

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s